ঢাকা, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

নতুন বছরের জন্য ৩৪০ কোটি টাকা বাজেট চায় জাতীয় সংসদ

ads

নতুন বছরের জন্য ৩৪০ কোটি টাকা বাজেট চায় জাতীয় সংসদ।

সোমবার (৮ জুন)  বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে আহুত সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩১তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। বৈঠকে দায়িত্ব পালনের জন্য এরই মধ্যে ৩১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) নেগেটিভ নিশ্চিত করা হয়েছে। 

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৩৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হবে। গত বছরের কমিশন বৈঠকে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সংসদের জন্য ৩২৮ কোটি ২২ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়। যা আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ২৯ কোটি ৬ লাখ টাকা বেশি।

সংসদ ভবন ও এমপি হোস্টেল মেরামত, সংসদ সচিবালয়ের উপ-সচিবদের গাড়ির রাবেণ ও নতুন গাড়ি ক্রয়সহ বেশ কয়েকটি খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আগামী অর্থ বছরের বাজেটও কিছুটা বাড়ছে বলে জানা গেছে।

সংসদ সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, করোনা পরিস্থিতিতে আহুত এই বৈঠক আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ অনুসরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সে জন্য সংসদ সচিবালয়, গণপূর্ত, পর্যটনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। তাদের আগারগাঁওস্থ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকায় কমিউনিটি সেন্টারে রাখা হয়েছে। এর আগে সংসদ সচিবালয় থেকে উদ্যোগ নিয়ে তাদের করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। কমিশন বৈঠক শেষে একই স্থানে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভার বৈঠকেও তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এবারের কমিশন বৈঠকে সংসদ সচিবালয়সহ সংসদ ভবন এলাকার নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। অবশ্য গত কমিশন বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এরই মধ্যে সংসদ ভবন এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। আর করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে মূল ভবন লকডাউনে আছে। এবারের বৈঠকেও বরাবরের মতো সংসদ সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি জট নিয়েও আলোচনা ও নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ভিআইপিদের আপ্যায়ন ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

সার্বভৌম প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদে সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতাসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য সংসদ সচিবালয় কমিশন বৈঠকে বাজেট বরাদ্দ অনুমোদন দেয়া হয়। পরে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

কমিশন বৈঠকে সংসদ সচিবালয়ের নতুন পদ সৃষ্টি, প্রকল্প প্রণয়নসহ বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই কমিশনের চেয়ারম্যান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

সাধারণত বছরে একবার (বাজেট অধিবেশনের আগে) এই কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ads
ads
ads

Our Facebook Page